যাকাত ক্যালকুলেটর|zakat calculator ৫ সেকেন্ডে কাউন্ট
আপনি যদি ইসলাম ধর্মের নিয়মমতে আপনার সম্পদের একটি অংশ যাকাত হিসাবে দান করতে চান তাহলে তা কতটুকু দান করবেন? অর্থাৎ যাকাত ক্যালকুলেটর কিভাবে করবেন।
এই সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এবং zakat calculator এর মাধ্যমে যেভাবে খুব সহজে আপনার সম্পদের হিসাব করবেন তা এখান থেকে দেখে নিতে পারবেন।
তাই আর দেরি না করে যাকাত ক্যালকুলেটর এর মাধ্যমে এখনই জেনে নিন আপনার সম্পদের যাকাত কত টাকা?
এবং এর পাশাপাশি সম্পূর্ণ আর্টিকেল টি পড়ে অবগত হতে পারবেন যাকাত সম্পর্কে রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বলা বানীর উপর ইসলামিক স্কলারদের মতামতের পেক্ষাপটে যাকাতের বিধান কি?
জেনে নিন; সাইবার ক্রাইম থেকে বাঁচার উপায়
যাকাত ক্যালকুলেটর
আপনার সম্পদের উপর কি পরিমাণ যাকাত দিবেন তা নিচের ক্যালকুলেটরে আপনার সম্পদের সমস্ত বিবরণী দিয়ে সেখানে থাকা “হিসাব করুন” এই বাটনে ক্লিক করে দেখে নিন।
🕌 Zakat Calculator
আপনার যাকাতযোগ্য সম্পদের পরিমাণ লিখুন
যাকাতের গুরুত্ব ও ফজিলত
প্রথমত জেনে নেয়া যাক যাকাতের গুরুত্ব ও ফজিলত কি? এই সম্পর্কে ফকিহগন কি বলেন? এই ক্ষেত্রে প্রখ্যাত ফকিহ ইমাম আবু হানিফা, ইমাম মালিক, ইমাম শাফেয়ী এবং ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল প্রত্যেকেই একইমত পোষণ করেন।
যেমন যাদের উপর যাকাত ফরজ তারা যদি তা অস্বীকার করে তাহলে তা কুফরীর নিকটবর্তী, আর ইচ্ছাকৃত-ভাবে না দেয়া বড় গুনাহ বলে প্রত্যেক ফকিহগন মতামত দিয়ে থাকেন।
আর আমরা মুসলিমরা সবাই এই সম্পর্কে অবগত যে, যাকাত আমাদের সম্পাদকে পবিত্র করে। তাই আমাদের উদ্দেশ্যে রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন তুমাদের মধ্যে যাদের সামর্থ্য আছে তারা যেনো জাকাত প্রধান করে।
এই ক্ষেত্রে ফকিহগন তার গুরুত্ব বুঝাতে বলে,”যাকাত সালাতের মতোই অপরিহার্য” তাছাড়া কুরআনেও বহু জায়গায় “সালাত” কায়েম করো এবং যাকাত দাও” একসাথে এসেছে। এর ভিত্তিতে ফকিহগন যাকাত দেয়া কে সালাতের মতোই অপরিহার্য মনে করেন।
তবে এই সম্পর্কে অর্থাৎ যাকাত দেয়া-কে অনেকেই দান মনে করে থাকেন। কিন্তু ইসলাম এই সম্পর্কে বলে, এটা গরিবের অধিকার, দান নয়। তাই আমাদের এই ভুল ধারণা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। এবং “দান” মনে করে নিজেকে দানবী ধাবি করা বা সমাজের বড় ব্যাক্তিত্ব সম্পূর্ণ মানুষ মনে করা থেকে বিরত থাকায় উত্তম।
জেনে নিন; মাইক্রোসফট এক্সেল ডাউনলোড করার নিয়ম
যা আমাদের প্রত্যেকের জন্য দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ বয়ে আনতে সাহায্য করবে।
তাছাড়াও যাকাতের ফজিলত হিসাবে ইমাম ইবনে তাইমিয়া বলেন,“যাকাত হলো সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার অন্যতম মাধ্যম”। যা আমাদের দুনিয়ার কল্যাণ এর জন্য সবচেয়ে উত্তম।
এছাড়াও ফকিহগন বলেন যাকাত দিলে সম্পদ কমে না, বরং সম্পদে বরকত বাড়ে। এই সম্পর্কে ইমাম গাজ্জালী বলেন“যাকাত মানুষের হৃদয়কে লোভ ও কৃপণতা থেকে পরিশুদ্ধ করে।”
যা দুনিয়া ও আখিরাতের জন্য সর্বোত্তম গুন, একজন ব্যক্তির জন্য। তাই আমাদের হৃদয়কে দুনিয়ার লোভ ও কৃপণতা থেকে পরিশুদ্ধি করতে সম্পদের নিসাব পরিমাণ যাকাত হিসাবে বন্টন করতে হবে।
আর পরিশেষে বলা যায় যাকাত আমাদের সম্পাদ কমিয়ে নিচের দিকে অগ্রসর করে না বরং তা আরো বাড়িয়ে উপরের দিকে অগ্রসর হতে সহায়তা করে। তাই আমাদের উচিত নিয়ম-মাফিক যাকাত ক্যালকুলেটর এর মাধ্যমে সম্পদ হিসাবে করে জাকাত প্রধান করা।
যাকাতের নিসাব কত
যাকাত ফরজ হওয়ার জন্য নিসাব হলো এমন পরিমাণ সম্পদ, যার মালিক হলে একজন মুসলিমের ওপর যাকাত দেওয়া বাধ্যতামূলক হয়। যদি এই সম্পদ এক চন্দ্র বছর পূর্ণ থাকে। অর্থাৎ এক বছর।
যেমন; স্বর্ণ বা রুপা অলঙ্কার ও নগদ অর্থ বা বিনিয়োগকৃত নগদ অর্থ যা এক চন্দ্র বছর পর্যন্ত স্থায়িত্ব রয়েছে এমন সকল সম্পদের একটি নির্দিষ্ট অংশ যাকাত হিসাবে বন্টন করতে হবে।
অর্থাৎ “বিনিয়োগকৃত নগদ” এই বিষয়টি আরো সহজ ভাবে বলেত গেলে, আপনার যদি ১০০ হাজার টাকা বিনিয়োগ করা থাকে এবং এর থেকে প্রতিনিয়ত একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ আয় হয়ে থাকে ও এই অর্থের স্থায়িত্ব এক চন্দ্র বছর পর্যন্ত হয়ে থাকে সেই ক্ষেত্রে এই অর্থে উপর আপনাকে নিসাব পরিমাণ যাকাত প্রধান করতে হবে।
জেনে নিন; ব্র্যাক ব্যাংক থেকে অন্য ব্যাংকে টাকা পাঠানোর নিয়ম
স্বর্ণ ও রূপা অলঙ্কার এর উপর যাকাত এর পরিমাণ
বর্তমান শরিয়ত অনুযায়ী স্বর্ণের নিসাবের পরিমাণ হলো ৮৭.৪৮ গ্রাম যা প্রায় সাড়ে ৭ ভরি এর কাছাকাছি। আপনার কাছে যদি এই পরিমাণ স্বর্ণ থেকে থাকে আর তা যদি এক চন্দ্র বছর পর্যন্ত হয়, সেইক্ষেত্রে আপনার এই সম্পদের জন্য নিসাব পরিমাণ যাকাত দিতে হবে।
রূপ্য অলঙ্কার এর ক্ষেত্রে যদি আপনার কাছে ৬১২.৩৬ গ্রাম যা প্রায় সাড়ে ৫২ ভরি রুপা থেকে থাকে তাহলে তার উপর যাকাত দিতে হবে।
মোট সম্পদের উপর যে পরিমাণ যাকাত দিবেন
যদি যাকাত ক্যালকুলেটর এর মাধ্যমে আপনি হিসাব করে নিন তাহলে খুব সহজেই যাকাত ক্যালকুলেটর দিয়ে তা হিসাব করে নিতে পারবেন। তাছাড়া যদি চান, আপনি নিজে ক্যালকুলেটর করে নিতে, সেইক্ষেত্রে আপনার সম্পদের ২.৫% বা ১/৪০ শতাংশ সম্পদ যাকাত হিসাবে গরিবদের দিতে হবে।
অর্থাৎ প্রথমে হিসাব করে নিতে হবে আপনার যাকাত যোগ্য সম্পদের পরিমাণ কত? তারপর সেই সম্পদের ২.৫% বা ১/৪০ শতাংশ হিসাব করে সেই পরিমাণ সম্পদ যাকাত হিসাবে গরিবদের দিতে হবে।
যাকাতের টাকা কোথায় দেবেন
আপনার ইচ্ছে অনুসারে যেকোনো জায়গায় বা নিকটস্থদের যাকাত দিতে পারবেন না। এই ক্ষেত্রে আল-কুরআনের সূরা আত-তাওবা এর ৬০ নম্বর আয়াতে কাদের মধ্যে যাকাত এর সম্পদ ভাগ করে দেয়া যাবে তার উল্লেখ রয়েছে।
কুরআনের আয়াত
إِنَّمَا الصَّدَقَاتُ لِلْفُقَرَاءِ وَالْمَسَاكِينِ وَالْعَامِلِينَ عَلَيْهَا وَالْمُؤَلَّفَةِ قُلُوبُهُمْ وَفِي الرِّقَابِ وَالْغَارِمِينَ وَفِي سَبِيلِ اللَّهِ وَابْنِ السَّبِيلِ ۖ فَرِيضَةً مِّنَ اللَّهِ ۗ وَاللَّهُ عَلِيمٌ حَكِيمٌ
অনুবাদ; “নিশ্চয়ই যাকাত (সদকা) হলো শুধুমাত্র গরিব, অভাবগ্রস্ত, যাকাত আদায়ে নিয়োজিত কর্মচারী, যাদের অন্তরকে প্রীত করা প্রয়োজন, দাসমুক্তির জন্য, ঋণগ্রস্তদের জন্য, আল্লাহর পথে এবং মুসাফিরদের জন্য। এটা আল্লাহর পক্ষ থেকে নির্ধারিত বিধান। আর আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।”[ সূরা আত-তাওবা আয়াত-৬০]
এই আয়াতের ভিত্তিতে ফকিহগন ৮ শ্রেণির মানুষের মধ্যে যাকাতের নিসাব পরিমাণ সম্পদ ভাগ করে দেয়া যাবে।
- প্রথম: ফকির বা অতি দরিদ্র অর্থাৎ যাদের কিছুই নেই বা আছে কিন্তু তা খুবই কম।
- দ্বিতীয়: মিসকিন অর্থাৎ দরিদ্র শ্রেণির লোক। যাদের আয় আছে কিন্তু প্রয়োজনের জন্য তা যথেষ্ট নয়।
- তৃতীয়: যাকাত সংগ্রহকারী বা আমিল অর্থাৎ যারা যাকাত সংগ্রহ ও বিতরণ করে থাকে।
- চতুর্থ: নবমুসলিম বা মুয়াল্লাফাতুল কুলুব অর্থাৎ যাদের হৃদয় ইসলামের দিকে আকৃষ্ট করার জন্য সাহায্য করার প্রয়োজন হয়।
- পঞ্চম: দাস মুক্তির জন্য যা বর্তমান সময়ে প্রয়োজন পড়ে না অর্থাৎ খুবই কম, তবে প্রয়োজনে মানবমুক্তির যাকাতের সম্পদ ব্যবহার করা যাবে।
- ষষ্ঠ: ঋণগ্রস্ত ব্যক্তি অর্থাৎ এমন ব্যাক্তি যারা বৈধ কারণে ঋণে ডুবে গেছে তাদের কে যাকাতের সম্পদ দেয়ার মাধ্যমে সাহায্য করা যাবে।
- সপ্তম: আল্লাহর পথে অর্থাৎ ফি সাবিলিল্লাহ। যেমন; ইসলামি কাজ, দাওয়াহ, শিক্ষা ইত্যাদিতে।
- অষ্টম: মুসাফির বা পথিক অর্থাৎ যারা সফরে গিয়ে অসহায় হয়ে পড়েছে তাদের কে যাকাতের সম্পদ দেয়া যাবে।
যাদের যাকাত দিতে শরিয়তের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে
যাকাত ক্যালকুলেটর করে আপনি যাদের কে যাকাত দিতে পারবেন না অর্থাৎ যাদেরকে যাকাত দিতে শরিয়তের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।
- নিজের বাবা-মা।
- দাদা-দাদি।
- নিজের সন্তান।
- নাতি-নাতনি
- স্বামী/স্ত্রী
- ধনী ব্যক্তি অর্থাৎ যার নিজের নিসাব সম্পদ রয়েছে।
তবে শরিয়তের ভিত্তিতে বলা হয়ে থাকে যদি আত্মীয়দের মধ্যে কেউ দরিদ্র থাকে সেইক্ষেত্রে তাকে আগে যাকাত দেয়া উত্তম। যার মাধ্যমে যাকাত প্রধান এর দ্বিগুণ সওয়াব পাওয়া যায়। আর তা প্রধান এর ক্ষেত্রে অবশ্যই সম্মান বজায় রেখে দেয়া এবং গোপনে দেওয়া সর্বোত্তম।
যাকাত নিয়ে সাধারণ ভুল ধারণা
অনেকেই যখন তাদের সম্পদের যাকাত ক্যালকুলেটর করে তখন তাদের মধ্যে বেশির ভাগই সাধারণ কিছু ভুল করে থাকে। যার ফলস্বরূপ তাদের যাকাত কবুল হয় না অথবা যাকাতের সওয়াব কমে যায়। তাই যাকাত ক্যালকুলেটর করার পূর্বে জেনে নেয়া উচিৎ এই ভুলগুলো কি?
প্রথমতো আমাদের সচারাচর যে ভুল হয়ে থাকে তা হলো যাকাতের নিসাব ঠিকভাবে হিসাব না করা অর্থাৎ অনেকেই যাকাতের সম্পদ হিসাব করার ক্ষেত্রে দেখা যায় তারা সোনা-রূপা, নগদ টাকা, ব্যবসার পণ্য সব একসাথে হিসাব না করে, একটি নির্দিষ্ট সম্পদ হিসাব করে বা ইচ্ছে অনুসারে যাকাত দিয়ে ফেলেন। যার ফলে দেখা যায় ‘যাকাত’ প্রাপ্ত সম্পদ থেকে কমে আসে।
এই ভুলটির সাথে আমাদের আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ সাধারণ ভুল হয়ে থাকে। নিচে তার বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে;
- এক বছর পূর্ণ না হওয়া সত্ত্বেও যাকাত দেওয়া; অর্থাৎ সম্পদের উপর যাকাত ফরজ হয় তখনই, যখন নিসাব পরিমাণ সম্পদের এক চন্দ্র বছর পূর্ণ হয়। আর আপনি যদি এই সময়ের আগে দিয়ে থাকেন তাহলে এটা আপনার সদকা হিসাবে গণ্য হবে, যাকাত নয়।
- শুধু রমজানে যাকাত দিতে হবে; এই ভুল ধারণার মধ্যে আমাদের সমাজের বেশির ভাগ মানুষই রয়েছে যারা ভেবে থাকে যাকাত শুধু রমজান মাসেই দিতে হবে। সত্যিকার অর্থে যাকাতের সময় নির্ভর করে আপনার সম্পদের বছর পূর্ণ হওয়ার ওপর, তাই রমজান মাসে তা দেওয়া বাধ্যতামূলক নয়।
- যাকাত দিয়ে বিনিময় আশা করা: যাকাত হচ্ছে সম্পূর্ণ আল্লাহর জন্য। এতে অন্যের কাছে কোনো লাভ, উপকার বা প্রতিদান আশা করার মাধ্যমে আপনার নিয়ত নষ্ট হতে পারে।
- প্রচার করে যাকাত দেওয়া: যাকাত দেয়া সম্পর্কে আল্লাহ যা উত্তম বলেছেন তাহলো গোপনে ও সম্মান বজায় রেখে যাকাত দেয়া। অপমান করে দেয়ার মাধ্যমে যাকাতের সওয়াব কমে যায়।
- সম্পদের সব অংশের উপর যাকাত না দেওয়া: এইক্ষেত্রে অনেকে শুধু তার নগদ টাকার ওপর যাকাত দিয়ে থাকেন, কিন্তু সোনা,ব্যবসার পণ্য ও বিনিয়োগকৃত অর্থের উপর যাকাত প্রধান করতে হবে তা মনে করেন না। এতে যাকাত ক্যালকুলেটর করার সময় যাকাতের পরিমাণ কমে আসে।
- ঋণ হিসাব না করা: অর্থাৎ যাকাত প্রধান এর ক্ষেত্রে বা যাকাত ক্যালকুলেটর করার সময় নিজের ওপর থাকা ঋণ বাদ দিয়ে নিট সম্পদের ওপর শুধু যাকাত দিতে হয়।
- যাকাত দিতে দেরি করা: অর্থাৎ যাকাত দেয়ার ক্ষেত্রে অনেকই বছর পূর্ণ হওয়ার পরও ইচ্ছাকৃত-ভাবে দেরি করে যাকাত প্রধান করে থাকে ৷ যা করা ঠিক নয়।
- যাকাত প্রতিষ্ঠানে দেয়ার পর নিশ্চিন্ত থাকা: এই ক্ষেত্রে আপনার করণীয় হচ্ছে নিশ্চিত হতে হবে যে, যাকাত সঠিকভাবে প্রকৃত হকদারদের কাছে পৌঁছাচ্ছে কি’না।
আপনি যদি যাকাত ক্যালকুলেটর করার সময় উপরোক্ত বিষয়াবলী মেনে নিয়ম-তান্ত্রিক-ভাবে আপনার সম্পদের যাকাত ক্যালকুলেটর করেন সেক্ষেত্রে অবশ্যই আপনি যাকাতের নিসাব হিসাব কত? তা হিসাব করে নিতে পারবেন।
Read Now; হঠাৎ পিরিয়ড বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণ| লক্ষণ,ঝুঁকি ও সমাধান