দোয়া মাসুরা পাঠ করার নিয়ম,ফজিলত ও বাংলা উচ্চারণ
নামাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ ফজিলত হলো দোয়া মাসুরা পাঠ করা। তাই আপনি যদি দোয়া মাসুরা না জেনে থাকেন বা এই দোয়া পাঠের ফজিলত কি? এই সম্পর্কে অবগত না হয়ে থাকে, সেইক্ষেত্রে এই আর্টিকেলে থেকে এর বিস্তার সম্পর্কে আপনি খুব সহজেই অবগত হতে পারবেন।
তাই আর দেরি না করে জেনে নেয়া যাক দোয়া মাসুরা পাঠ করার নিয়ম, ফজিলত ও বাংলা উচ্চারণ;
Show Now; How much your zakatable assets
দোয়া মাসুরা’ আরবি ও বাংলা উচ্চারণ
আমরা মুসলিমরা এই সম্পর্কে অবগত যে নামাজের শেষ বৈঠকে দোয়া মাসুরা পাঠ করতে হয়ে। তাই নামাজ পড়া পরিপূর্ণ করতে অবশ্যই দোয়া মাসুরা জেনে নিতে হবে। যা পড়া সুন্নত।
দোয়া মাসুরা
اللَّهُمَّ إِنِّي ظَلَمْتُ نَفْسِي ظُلْمًا كَثِيرًا، وَلَا يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلَّا أَنْتَ، فَاغْفِرْ لِي مَغْفِرَةً مِنْ عِنْدِكَ، وَارْحَمْنِي، إِنَّكَ أَنْتَ الْغَفُورُ الرَّحِيمُ
বাংলা উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি যলামতু নাফসি যুলমান কাসীরা,ওয়া লা ইয়াগফিরুজ যুনুবা ইল্লা আনতা, ফাগফিরলি মাগফিরাতাম মিন ‘ইন্দিকা, ওয়ারহামনি, ইন্নাকা আনতাল গফুরুর রহীম।
অর্থ: হে আল্লাহ! আমি আমার নিজের ওপর অনেক অত্যাচার করেছি। আপনি ছাড়া কেউ গুনাহ মাফ করতে পারে না। অতএব, আপনি আপনার পক্ষ থেকে আমাকে ক্ষমা করুন এবং আমার প্রতি দয়া করুন। নিশ্চয়ই আপনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।
জেনে নিন: ব্র্যাক ব্যাংক থেকে অন্য ব্যাংকে টাকা পাঠানোর নিয়ম
দোয়া মাসুরা পাঠ সম্পর্কে হাদিসের বর্ণনা
দোয়া মাসুরা পাঠ সম্পর্কে হাদিসে, এর বর্ণনা কিভাবে এসেছে? এই সম্পর্কে আমরা অনেকেই অবগত নয়। দোয়া মাসুরা পাঠ করার জন্য রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজে সাহাবাদের শিখেয়েছেন এবং তাদেরকে তা নামাজের ভিতর পাঠ করার জন্য নির্দেশ দেন।
হাদিসের বর্ণনা অনুসারে, আবু বকর (রাঃ) হতে বর্ণিত একটি হাদিসে এসেছে, একদিন “আবু বকর (রাঃ) রাসূল (সা.)-কে বলেন: “হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে এমন একটি দোয়া শিখিয়ে দিন, যা আমি নামাজে পড়তে পারি।”
তখন রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন তুমি বলো “আল্লাহুম্মা ইন্নি যলামতু নাফসি যুলমান কাসীরা,ওয়া লা ইয়াগফিরুজ যুনুবা ইল্লা আনতা, ফাগফিরলি মাগফিরাতাম মিন ‘ইন্দিকা, ওয়ারহামনি, ইন্নাকা আনতাল গফুরুর রহীম।”[ সহিহ বুখারি/হাদিস: ৮৩৪/ সহিহ মুসলিম]
হাদিসের সত্যতা যাচাই করতে এখানে ক্লিক করুন।
এতে স্পষ্ট আমরা বুঝতে পারি দোয়া মাসুরা নামাজে পাঠ করা সুন্নত। কেননা এটি রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজে পাঠ করতে এবং সকলকে তা পাঠ করার কথা বলতেন। যা সহি-হাদিস দ্বারা প্রমাণিত।
দোয়া মাসুরা পাঠ করার নিয়ম
দোয়া মাসুরা সাধারণত নামাজের শেষ বৈঠকে পাঠ করতে হয়। আর আল্লার রাসূল নিজে এই দোয়া পড়তেন এবং অন্যদেরকেও নামাজের শেষ বৈঠকে তাশাহহুদ ও দরূদ শরীফ পাঠ করার পর পড়ার নির্দেশ দিতেন।
কিন্তু সাহাবাগণ নামাজ ব্যতীতও দোয়া মাসুরা পাঠ করতেন। কেননা এই দোয়া পাঠ করার মধ্যে রয়েছে অনেক ফজিলত। এই বিষয়টি আপনি ভালোভাবে উপলব্ধি করতে এর অর্থে দিকে মনোনিবেশ করতে পারেন।তাহলে আপনিও বুঝে যাবেন এই দোয়ায়ে আপনি কি পাঠ করেছেন।
অর্থাৎ এই দোয়ায়ে আমরা আল্লাহর কাছে আমাদের মাধ্যমে প্রতিনিয়ত হয়ে যাওয়া গুনাহ থেকে ক্ষমার জন্য প্রার্থনা করছি। যা ক্ষমা চাওয়ার সর্বোত্তম শব্দগুচ্ছ। তাই নামাজে পড়ার পাশাপাশি অন্য সময়েও সাহাবারা এই দোয়া পড়তেন।
দোয়া মাসুরা পাঠ করার ফজিলত
আমরা যখনই আল্লাহর কাছে গুনাহ মাফের জন্য দোয়া করতে চাই তখন অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় কিভাবে বিনয়ের সাথে দোয়া করবো তা ভেবেও বলতে পারি না। এমন কি বলতে গিয়ে মনের অজান্তে এমন অনেক শব্দ ব্যবহার করে ফেলি যা আল্লাহর কাছে অপছন্দনীয়। যার কারণ বসত আমাদের দোয়া কুবল হয় না।
তাই দোয়া কুবল এর জন্য আল্লাহর কাছে বিনয় ও হেকমতের সাথে ক্ষমা চাওয়ার শ্রেষ্ঠ ভাষা হচ্ছে দোয়া মাসুরা যা গুনাহ মাফের একটি শক্তিশালী দোয়া।
তাছাড়া দোয়া মাসুরা হচ্ছে তওবার শ্রেষ্ঠ উদাহরণ। কেননা এই দোয়ার মাধ্যমে আমরা নিজের গুনাহ বা ‘ভুল’ আল্লাহ কাছে স্বীকার করি, আল্লাহর একক ক্ষমাশীলতা শরণ করি এবং তার পাশাপাশি আল্লাহর রহমতে আশা করি।
এজন্যই আমরা যখন আল্লাহর কাছে ক্ষমার জন্য দোয়া করবো তখন নামাজে অথবা নামাজের বাইরে দোয়া মাসুরা পাঠ করার মাধ্যমে আল্লাহর কাছে দোয়া করবো।
দোয়া মাসুরা’র প্রতিটি লাইনের ব্যখ্যা ও তাৎপর্য
আপনি ইতিমধ্যে হয়তো বুঝে গেছেন দোয়া মাসুরা পাঠ করার নিয়ম ও ফজিলত কি? তবে এই সম্পর্কে হতো আপনি কখনো আগে অবগত ছিলেন না যে, “দোয়া মাসুরার ভাবগম্ভীর কেমন”? অর্থাৎ দোয়া মাসুরা এর প্রতিটি লাইন কি অর্থ প্রকাশ করে।
আমরা এই সম্পর্কে অবগত যে কুরআনের আয়াত বা আল্লাহর পক্ষ থেকে আসা বাণী সমূহের মধ্যে রয়েছে অসংখ্য জ্ঞান। যা অনেক সময় অর্থ পড়ে তার গভীরতা বুঝা যায়। যার জন্য প্রয়োজন পড়ে বিভিন্ন স্কলারদের গবেষণার তাৎপর্য।
এরই ধারাবাহিকতায় ফকিহগনের ব্যখ্যার আলোকে দোয়া মাসুরার সম্পূর্ণ তাৎপর্য এখানে তুলে ধরা হয়েছে। আর আমরা জানি সর্বদাই জ্ঞান মানুষকে উপলব্ধি করতে শিখায়।তাই যেকোনো বিষয় সম্পর্কে আপনি যখন গভীর জ্ঞান লাভ করবেন তখন সেই বিষয়টি আপনি গভীরভাবে উপলব্ধি করতে পারবেন।
অর্থাৎ আপনি যদি “দোয়া মাসুরা” প্রতিটি লাইন তাৎপর্য সহকারে বুঝে নিতে পারেন। সেইক্ষেত্রে আপনার যেমন নামাজ ও দোয়া পড়ার প্রতি আগ্রহ বাড়বে এবং অন্যদেরকেও তা বুঝিয়ে নামাজে তাদের মননিবেশ বৃদ্ধি করাতে পারবেন।
দোয়া মাসুরার প্রথম লাইন; “আল্লাহুম্মা ইন্নি যলামতু নাফসি যুলমান কাসীরা” এর অর্থ হে আল্লাহ! আমি আমার নিজের ওপর অনেক জুলুম করেছি। এর দ্বারা আপনি কি স্বীকার করেছেন? আপনি আপনার উপর জুলুম বলতে কি বোঝাচ্ছেন?
এখানে যদি বিষয়টি ভালোভাবে উপলব্ধি করেন, তাহলে বুঝতে পারবেন জুলুম বলতে এই দোয়াতে আমরা কি উল্লেখ করছি। অর্থাৎ আমাদের মাধ্যমে হয়ে যাওয়া প্রতিনিয়ত বিভিন্ন পাপ অনিচ্ছায়কৃত বা ইচ্ছাকৃত ভাবে দুনিয়ায় সার্থে তাতে জড়িয়ে পরা। যার মাধ্যমে মূলত আমরা নিজেদেরই ক্ষতি করছি। যা পক্ষান্তরে আমরা নিজেদের উপর নিজেরাই জুলুম করছি।
তবে ইচ্ছাকৃত ভাবে বা মনের অজান্তে কোনো ভুল করে তা স্বীকার করা একটা মহৎ গুণ এবং তা থেকে নিজেকে বিরত রাখা তারচেয়ে উত্তম।এই গুণের কারণে আল্লাহ আপনার উপর খুশি হয়ে আপনার সমস্ত ভুল ক্ষমা করে দেন। আর এই গুণটি আপনি দোয়া মাসুরা এর প্রথম লাইন পাঠ করার মাধ্যমেই নিজের মধ্যে স্থাপন করে নিতে পারবেন।
দোয়া মাসুরার দ্বিতীয় লাইনে কি বলা হয়েছে চলুন জেনে নেয়া যাক ; দ্বিতীয় লাইনে আমরা বলি “ওয়া লা ইয়াগফিরুজ যুনুবা ইল্লা আনতা” এর অর্থ আপনি ছাড়া কেউ গুনাহ মাফ করতে পারে না। এর মাধ্যমে আমরা আল্লাহর একত্ববাদের কথা স্বরণ করছি। এতে আমাদের ইমান পূর্ণ জাগ্রত হয় এবং আল্লাহ-ই একমাত্র মালিক, তিনি সাহায্যকারী, কঠিন বিচার দিনের মালিক তা মনে করিয়ে দেয়।
দোয়া মাসুরা এর তৃতীয় অংশ আরো কিছুটা গভীর ভাব প্রকাশ করে। আমরা আমাদের মনের এই, ‘ভাব’ নিজের মত করে আল্লাহর কাছে প্রকাশ করতে গিয়ে আমরা মুসলিমরা প্রতিনিয়ত ভুল করে থাকি। যার কারণ বসত আমাদের দোয়া কবুল হয় না।
দোয়া মাসুরার তৃতীয় অংশে আমরা বলি “ফাগফিরলি মাগফিরাতাম মিন ‘ইন্দিকা” অর্থাৎ আপনি আপনার পক্ষ থেকে আমাকে ক্ষমা করুন। যার মাধ্যমে আমরা খুব সহজে আমাদের গুনাহ আল্লাহ কাছে প্রকাশ করে ক্ষমা চেতে পারি।
চতুর্থ অংশে আমরা বলি”ওয়ারহামনি” যার অর্থ আমার উপর দয়া করুন। এর মাধ্যমে আল্লাহর কাছে আমরা রহমত এ দয়া আশা করি। কেননা গুনাহ মাফের সাথে আমর যদি আল্লাহর রহমত ও দয়া না পেয়ে থাকি তাহলে কখনো জান্নাত লাভ করা যাবে না।
এবং দোয়া মাসুরার শেষ অংশে বলি “ইন্নাকা আনতাল গফুরুর রহীম” যার অর্থ নিশ্চয়ই আপনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। এখানে আমরা আল্লাহর মহান দুই গুণের মাধ্যমে প্রার্থনা করি। যেমন; গফুর ও রহীম।
গফুর অর্থ ক্ষমাকারী অর্থাৎ যিনি বারবার ক্ষামা করেন। আর রহিম অর্থ দয়াকারী অর্থাৎ যিনি বারবার দয়া করেন। এই দুটি নাম ধরে আল্লাহর কাছে বান্দা কিছু চাইলে আল্লাহ কখনো তার বান্দাকে ফিরিয়ে দেন না।
তাই আমাদের উচিৎ নামাজের মধ্যে বিনয়ের সাথে অন্যান্য অংশ পাঠ করার পাশাপাশি দোয়া মাসুরা পাঠ করা।
দোয়া মাসুরা ও মদিনার এক যুবক
দোয়া মাসূরা যেভাবে বদলে দিয়েছিলো মদিনার এক যুবকের জীবন। সেই গল্পই আজকে এখানে তার গুরুত্ব বুঝাতে তুলে ধরা হয়েছে, যা জীবনের বাস্তব শিক্ষার জন্য।
একধা মদিনার এক ছোট রুমে থাকত আদিল নামে এক যুবক। সে বাইরে থেকে খুব সাধারণ একজন প্রকৃতির মানুষ ছিল। সে নামাজও পড়তো, মানুষের সাথে ভালো ব্যবহারও করত। কিন্তু তার ভেতরে একটা কষ্ট ছিল। সে প্রতিনিয়ত মনে করত, তার জীবনে অনেক ভুল হয়ে গেছে। যেমন;
- কখনো সে বাবা-মায়ের কথা শুনেনি।
- কখনো বন্ধুদের কষ্ট দিয়েছে।
- আবার অনেক সময় গোপনে গুনাহে লিপ্ত হয়ে পরতো।
তাই রাতে যখন সবাই ঘুমিয়ে যেতো, তখন তার মনের ভেতর প্রতিনিয়ত একটা ভয় কাজ করত “আল্লাহ কি আমাকে ক্ষমা করবেন?” যা থাকে প্রতিনিয়ত হীনমন্যতা ভুগাতো
হঠাৎ একদিন সে শুনতে পেলো “জুমার খুতবায়” ইমাম সাহেব একটি দোয়ার কথা বলছে; আর সেটি হলো দোয়া মাসুরা।
তিনি জুমার খুতবায় বললেন “এই দোয়া রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, সাহাবী আবু বকর (রাঃ)-কে শিখিয়েছিলেন।” তখন ইমাম সাহেবের মুখে আদিল দোয়াটির অর্থ শুনে চুপ হয়ে গেল। দোয়াটির প্রথম লাইন তাকে কাঁদিয়ে দিল অর্থাৎ “আমি আমার নিজের উপর অনেক জুলুম করেছি”
এতে সে বুঝল “আসলে আমি অন্যের ক্ষতি করার আগে নিজেরই ক্ষতি করেছি”। গুনাহ করার সময় সে ভেবেছিল স্বাধীনতা পাচ্ছে, কিন্তু এখন সে বুঝতে পারলো মূলত প্রতিটি গুনাহ তার হৃদয়কে দুর্বল করেছে তার ক্বলবকে মৃত করে রেখেছে। আর সেদিন রাতে সে প্রথমবারের মতো নামাজে ধীরে ধীরে দোয়া মাসুরা পাঠ করলো।
দ্বিতীয় লাইন শুণে সে হৃদয়ে আশা খুঁজে পেলো অর্থাৎ “আপনি ছাড়া কেউ গুনাহ মাফ করতে পারে না” আদিল ভাবল মানুষ হয়তো আমাকে বিচার করবে, কিন্তু আল্লাহর দরজা এখনো বন্ধ হয়নি। এতে সে বুঝল, যত বড় ভুলই হোক, আল্লাহর রহমত তার থেকেও বড়।
তৃতীয় লাইন তার চোখে অশ্রু এনে দিল “আপনি আপনার পক্ষ থেকে আমাকে ক্ষমা করুন” এবার সে নিজের জীবনের সব ভুল মনে করতে লাগল। এবং সে কান্না করে বলল; “হে আল্লাহ, আমি সত্যিই পরিবর্তন হতে চাই” যা ছিল তার জীবনের সবচেয়ে আন্তরিক তাওবা।
চতুর্থ লাইন তার শান্তি ফিরে এনে দিলো “আমার উপর দয়া করুন” আদিল এতে বুঝল মানুষ শুধু ক্ষমা পেলেই বাঁচে না, আল্লাহর দয়া ছাড়া কখনো হৃদয়ের শান্তিও আসে না। আর সেদিন সে প্রথম অনুভব করলো অনেকদিন পর তার মনে এক অদ্ভুত প্রশান্তি নেমে এলো।
আর শেষ লাইন তার জীবন বদলে দিল “নিশ্চয়ই আপনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু” সে অনুভব করল আল্লাহ তাকে দূরে ঠেলে দেননি। বরং অপেক্ষা করছিলেন কখন সে ফিরে আসবে।
এবং সে বুঝতে পারলো সে ফিরে এসেছে আল্লাহ পথে। যা তার জীবনের সমস্ত গুণাবলীহ মাফের পথ খূঁজে দিয়েছে। এবং তা বুঝতে পারলো আল্লাহ নিশ্চিয় তার গুণা ক্ষমা করে দেবে।
আশা করি আপনি দোয়া মাসুরা সম্পর্কে অবগত হতে পেরেছেন। আমরা এখানে চেষ্টা করেছি আপনি দোয়া মাসুরা শিখে নায়ার পাশাপাশি তা সম্পর্কে গভীর জ্ঞান লাভ করেন।