মেয়ে দেখতে গিয়ে প্রশ্ন কী করবেন? বিজ্ঞান ও হাদিস
বিয়ের পূর্বে হবু স্ত্রী-কে যাচাই করার অন্যতম উপায়, হবু স্ত্রীকে প্রশ্ন করা। এই বিষয়ে আমরা অনেকেই জানি না, হবু স্ত্রীকে কি প্রশ্ন করবো? তাই আমরা হবু স্ত্রীকে এমন সব প্রশ্ন করে বসি, যা হবু স্ত্রীর কাছে আমাদেরকেই হাস্যকর করে তুলে। তাই মেয়ের সাথে দেখা করার পূর্বে জেনে নেয়া উচিৎ মেয়ে দেখতে গিয়ে প্রশ্ন কী করবেন?
আজকের এই নিবন্ধন থেকে জেনে নিতে পারবেন ইসলামিক স্কলার ও সাইকোলজিক দের মতামতের ভিত্তিতে মেয়ে দেখতে গিয়ে যে সকল প্রশ্ন করার মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই আপনার হবু স্ত্রী সম্পর্কে ধারণা নিয়ে নিতে পারবেন তার বিস্তারিত তথ্য।
তাই আর দেরি না করে জেনে নেয়া যাক মেয়ে দেখতে গিয়ে প্রশ্ন কী করবেন? বা মেয়ে চিনার বৈজ্ঞানিক ফ্যাক্ট কী? ও ইসলামিক স্কলাররা এই তালিকা কি কি প্রশ্ন রেখেছেন? যা হবু স্ত্রীর দ্বীন-দারিতা সম্পর্কে আপনাকে ধারণা দেবে।
Read Now: দোয়া মাসুরা পাঠ করার নিয়ম, ফজিলত ও বাংলা উচ্চারণ
মেয়ে দেখতে গিয়ে প্রশ্ন কী করবেন?সাইকোলজিক্যাল প্রশ্ন

সাইকোলজিক্যাল ভাবে আপনি যদি আপনার হবু স্ত্রীকে যাচাই করে নিতে চান বা মেয়ে দেখতে গিয়ে প্রশ্ন কী করবেন? সেই সম্পর্কে অবগত হতে চান সেইক্ষেত্রে আপনাকে প্রথমে অনুসরণ করতে হবে প্রশ্ন করার পাশাপাশি হবু স্ত্রীর বডি-ল্যাঙ্গুয়েজ বা অঙ্গভঙ্গি কেমন।
কেননা একজন মানুষ কেমন হবে তার ৫৫ শতাংশ নির্ভর করে তার বডি-ল্যাঙ্গুয়েজের উপর। আর ৩৮ শতাংশ নির্ভর করে গলার স্বর এবং বাকি ৭ শতাংশ নির্ভর করে সে কি বলছেন তার উপর। তাই মেয়ে দেখতে গিয়ে প্রশ্ন কী করবেন তা জেনে নেয়ার পূর্বে এই বিষয়গুলো নজরে রাখতে হবে।
যা আপনাকে, আপনি যখন আপনার হবু স্ত্রীকে প্রশ্ন করবেন তখন তার বলা কথা,আচরণ ভঙ্গি এবং কথা বলার টপিক ধারণা দেবে আপনার সামনে থাকা মেয়ে আপনার জন্য কতটুকু মানানসই হবে।
Read Now; স্বাস্থ্য বাড়ানোর স্বাস্থ্যকর উপায় ও কার্যকরী ব্যায়াম
বডি-ল্যাঙ্গুয়েজ দেখে সত্য বুঝবেন যেভাবে
মূখ মিথ্যা বলতে পারলেও আমাদের চোখ ও দেহের অঙ্গভঙ্গি সত্য চাপা দিতে পারে না। তাই আপনার সামনে থাকা ব্যক্তি কতটুকু সত্য বলছে তা বুঝতে দেহের অঙ্গভঙ্গি ও চোখের নরাচরা কেমন হতে পারে তা জেনে নিন।
- প্রথমে আপনি যখন কথা বলবেন তখন সে যদি আপনার চোখের দিকে সরাসরি না থাকাতে পারে বা বার বার অন্য দিকে তাকাচ্ছে। সেইক্ষেত্রে বুঝবেন সে আপনার কাছ থেকে কিছু লুকানোর চেষ্টা করছে বা সে নার্ভাস।
- তাছাড়া আপনি যখন কথা বলবেন তখন সে যদি এক দৃষ্টিতে শুধু আপনার দিকে থাকিয়ে থাকে। তাহলে বুঝবেন সে হয়তো যা বলছে মিথ্যা বলছেন অথবা মনে মনে অন্য কিছুর চক-কাটছে বা ভাবছে।
- এবং সাইকোলজিক-দের মতে কেউ যদি আপনার সাথে কথা বলার সময় তার বডি আপনার দিকে ঘুরিয়ে স্বাভাবিক ভাবে থাকিয়ে কিছুটা হাস্য উজ্জ্বল ফেইসে কথা বলে তাহলে সে অবশ্যই আপনার সাথে কথা বলতে সাচ্ছন্দ্য-বুধ করছে। আর যদি সে আপনার কথায় সাচ্ছন্দ্য-বুধ না করে তাহলে মনের অজান্তেই সে তার বডি-লেঙ্গুয়েজ বা ফেইসের ভাব ও এর সাথে চোখের দৃষ্টিভঙ্গি বদলে ফেলবে অর্থাৎ বার বার অন্য দিকে দৃষ্টি সরাবে।
মেয়ে দেখতে গিয়ে প্রশ্ন যা করবেন
এতো সময়ে হয়তো আপনি বুঝে গেছেন আপনি মেয়ে দেখতে গিয়ে প্রশ্ন যা করবেন তাতে আপনার হবু স্ত্রী কি সত্য বলেছে? না আপনাকে সত্য বুঝাতে মিথ্যার আশ্রয় নিচ্ছে।
তা যদি বুঝে নিতে পারেন তাহলে এখন প্রশ্ন কি করবেন তা জেনে নিতে পারেন। যেমন প্রথম শুরু করতে পারেন স্বাভাবিক কিছু জিজ্ঞেসা বাদের মাধ্যমে। পরবর্তীতে ধারাবাহিক ভাবে নিচের প্রশ্নগুলো করে নিতে পারেন।
- জীবন দ্বারা বুঝতে বলতে পারেন, সাধারণত আপনার পুরো দিন কিভাবে কাটান? অথবা সাথে বলতে পারেন অবসর সময়ে কি করতে বেশি সাচ্ছন্দ্য বুধ করুন?
এতে মেয়ের জীব-দর্শন সম্পর্কে ভালো ধরা পাবেন। যা আপনি মেয়ের উত্তর শুনে বুঝে নিতে পারবেন।
- দ্বিতীয় প্রশ্ন আপনি বলতে পারেন পরিবার সম্পর্কে তোমার কি ধারণা? বিয়ের পর তুমি কিভাবে পরিবার-কে গুছাতে চাও?
এতে করে বুঝতে পারবেন আপনার হবু স্ত্রী আপনার পরিবারের জন্য কতটুকু মানানসই হবে।
- আপনার হবু স্ত্রী যদি কোনো জব এর সাথে সম্পৃক্ত হয়ে থাকে সেই ক্ষেত্রে বলতে পারেন আপনি কি বিয়ের পরও কাজ চালিয়ে যেতে চান? যদি ইতিবাচক উত্তর হয় সেক্ষেত্রে পরে বলতে পারেন তাহলে তুমি পরিবার ও ক্যারিয়ার কিভাবে ব্যালেন্স করবে?
আপনার হবু স্ত্রীর উত্তর শুনে আপনি বুঝে নিতে পারবেন সে কোনটিকে বেশি প্রাধান্য দিচ্ছে। আপনার পরিবার না অর ক্যারিয়ার।
- তারপর ইতিবাচক চিন্তা থেকে বলতে পারেন আমাদের মধ্যে কোনো বিষয়ে মতবিরোধ হলে সেটা কে তুমি কিভাবে নেবে? বা বিষয়টি কিভাবে সমাধান করা যেতে পারে, তুমার মতে?
এতে করে আপনি খুব সহজেই বুজে নিতে পারবেন আপনার হবু স্ত্রীর দৃষ্টিভঙ্গি বা চিন্তাভাবনা কেমন।
- তাছাড়া এই প্রশ্নটিও করে নিতে পারেন, দু’জন একসাথে স্ট্রেস হলে তুমি বিষয়টি-কে কিভাবে সামলাবে?
এই উত্তরে আপনি বুঝতে পারবেন আপনার হবু স্ত্রীর আবেগপ্রবণতা ও তার রাগ নিয়ন্ত্রণ এর ক্ষেত্রে কতটুকু প্রবণতা কাজ করে সে সম্পর্কে।
এতো গেলো সাইকোলজিক্যাল টিপস মেনে হবু স্ত্রীকে যেভাবে জানবেন তার কিছু উপায়। এখন যদি আপনি দ্বীন-দার, পর্দাশীল স্ত্রী খুঁজেন সেক্ষেত্রে যেভাবে যাচাই করে একজন দ্বীন-দার গুণবতী জীবন সঙ্গী নির্বাচন করবেন তার বিস্তারিত তথ্য কুরআন ও হাদিসের আলোকে তুলে ধরা হয়েছে।
তবে প্রশ্নগুলো সরাসরি কুরআন বা হাদিস থেকে নেয়া নয়। তা বিশ্লেষণ করার মাধ্যমে সাজানো হয়েছে যা থেকে আপনি মেয়ে দেখতে গিয়ে প্রশ্ন করার মাধ্যমে একজন গুণবতী জীবন সঙ্গী নির্বাচন করে নিতে পারবেন।
প্রশ্ন করে দ্বীনদার মেয়ে চিনার উপায়
বর্তমান পেক্ষাপটে সবচেয়ে কঠিন কাজ গুলোর একটি দ্বীন-দার মেয়ে খুঁজে বের করা। আর যদিও তা মিলে, মেয়ে দ্বীন-দার কিনা তা নিশ্চিত ভাবে বুঝে উঠার সাদ্ধ্য হয় না।
কেননা আপনি খুব সহজেই মেয়ের দিকে থাকিয়ে বলে দিতে পারবেন মেয়ে দ্বীন-দার নয়। যেমন: মেয়ের পোষাক-আশাক নেগেটিভ আচরণ ভঙ্গি দেখে এটা নিশ্চিত বলে দেয়া যায় মেয়ে দ্বীন-দার নয়।
কিন্তু হিজাব বণ্টনকারী একটি মেয়েকে দেখে কখনো এটা বলতে পারবেন না মেয়েটি নিশ্চিত দ্বীন-দার। তাই নেগেটিভ গুলো আমরা সহজেই থাকিয়ে বা কিছু খুঁজ খবর নিয়ে অনুধাবন করে নিতে পারলেও পজেটিভ গুলো অর্থাৎ মেয়ে দ্বীন-দার কি’না, মেয়ের মধ্যে কোনো গুণ আছে কি’না তা বলাটা খুবই কষ্টকর।
তাই এই বিষয়টিকে সহজে বুঝা বা দ্বীন-দার স্ত্রী খুঁজে নেয়ার জন্য বিভিন্ন স্কলার ও কুরআন-হাদিসের আলোকে মেয়ে দেখতে গিয়ে যেসকল প্রশ্ন করে নেয়ার মাধ্যমে আপনি মেয়ে দ্বীন-দার কি’না বা মেয়ের পারিপার্শ্বিক চরিত্র কেমন, তা উপলব্ধি করতে পারবেন সেই সকল প্রক্রিয়া অর্থাৎ যেসকল উপস্থিত প্রশ্ন হবু স্ত্রীকে জিজ্ঞেসা করে নেয়ার মাধ্যমে আপনি বুঝে নিবেন মেয়েটি কেমন গুণবতী।
তার নিম্নরূপ এখানে বিস্তারিত ভাবে তুলে ধরা হয়েছে। চলু জেনে নেয়া যাক বিষয়গুলো কি?
দ্বীন-দার মেয়ে দেখতে গিয়ে প্রশ্ন কী করবেন
প্রথমত জেনে নেয়া যকা একজন দ্বীন-দার মেয়ে দেখতে গিয়ে প্রশ্ন কিভাবে করবেন এবং প্রতিটি প্রশ্নের পর যেভাবে যাচাই করবেন অর্থাৎ ফলাফল দিবেন ও এর পাশাপাশি মেয়ে দেখতে গিয়ে প্রথম প্রশ্ন কোথায় থেকে বা কিভাবে আপনার কথোপকথন শুরু করবেন? তার বিস্তারিত তথ্য।
চলুন আর দেরি না করে বিষয়টির মধ্যে মনোনিবেশ করি। প্রথমে আপনি শুরু করতে পারেন পারিপার্শ্বিক কিছু প্রশ্ন দিয়ে যেমন; পরিচিত ও শিক্ষাগত যোগ্যতা কতটুকু সেই সম্পর্কিত প্রশ্নের মাধ্যমে।
এতে আপনি ধারণা নিতে পারবেন আপনার হবু স্ত্রীর জ্ঞান বা প্রজ্ঞা সম্পর্কে অর্থাৎ এডুকেশন লেভেল কতটুকু।
এবং এই জিজ্ঞেসা বাদের মাঝে আপনি মেয়েকে প্রশ্ন করতে পারেন আপনি পাত্র হিসাবে কেমন পাত্র চান? এখানে মেয়ে যদি আপনাকে “বিষয়টি” সরাসরি বলে বা কিছুটা নার্ভাসলীও বলে তাহলেও আপনি বুঝে নিতে পারবেন আসলে মেয়েটি কেমন।
যেমন; ধরা যাক আপনি প্রশ্ন করলেন, আর মেয়ে বললো আমি খুবই স্মার্ট আধুনিক “যার” টাকা পয়সা ধনসম্পদ থাকতে হবে। যাতে সে আমাকে নিয়ে ঘুরতে পারে, আমার সকল ইচ্ছে সহজে পূরণ করতে পারে। তাহলে আপনি কিছুটা বুঝতে পারবেন মেয়েটা দ্বিনদার নয়।
এটা খুবই সহজ! কারণ আপনি যদি লক্ষ্য করেন তার উত্তরের মধ্যে দ্বীন সম্পর্কিত কোনো শব্দ নেই। যা ইতিবাচক ভাবে বুঝিয়ে দেয় মেয়ে দ্বীন-দার নয়। কেননা সে এখানে দ্বীন সম্পর্কে কিছু বলে নি।
একজন গুণবতী মেয়ে অবশ্যই তার প্রথম চাহিদায় বলে ছেলের আকিদা বা বিশ্বাস কেমন। সেটা হক সৃষ্টিকর্তা বা নিজের জীবন সম্পর্কে। যা একে অপরের প্রতি ভালোবাসা তৈরি করতে সহযোগীতা করে। তাই এইধরনের প্রশ্ন করে নেয়ার মাধ্যমে মেয়ের আকিদা সম্পর্কে ধারণা নিতে পারবেন।
তবে এখানে মনে রাখতে হবে একটি কিংবা দুটি প্রশ্নের উত্তর শুনে আপনার হবু স্ত্রী সম্পর্কে কোনো ধারণা নিশ্চিত করবেন না। আপনাকে পর্যায়ক্রমে প্রশ্ন করে যেতে হবে এবং তার দেওয়া উত্তরগুলো ভালোভাবে পর্যালোচনা করতে থাকবেন।
পরবর্তী প্রশ্নে আপনি বলতে পারেন দ্বীন সম্পর্কে আপনার কেমন ধারণা? এতে করে মেয়ের জ্ঞান সম্পর্কে ভালো ধারণা নিতে পারবে। কেননা সচারাচর এই ধরনের প্রশ্নের উত্তরে কি বলতে হবে তা অনেকে অবগত নয়।
এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর যদি ইতিবাচক হয় তাহলে আপনি খুব সহজেই বুঝ নিতে পারবে আপনার স্ত্রীর গুণ কি?
যেমন; ধরুন সে আপনাকে উত্তরে বললো আপনি দ্বীন বলতে কি বুঝাচ্ছেন “বিশ্বাস” অর্থাৎ আল্লার প্রতি, আল্লার দেয়া বিধানের প্রতি, বা অন্য কিছু। আপনি এর উত্তরে বলতে পারেন আপনার মতো করে কিছু, যা যৌক্তিক।
জেনে নিন: বিদেশে উচ্চশিক্ষা নেয়ার ক্ষেত্রে করণীয়
তবে এই প্রশ্নের উত্তর আপনার হবু স্ত্রী ভিন্ন ভাবেও নিজের মতো করে বলতে পারে। যেমন নামজ, মৃত্যুর পরবর্তী কবর, আখিরাত, জান্নাত, জাহান্নাম ইত্যাদির কথাও। এতে মেয়ের আকিদা সম্পর্কে কিছুটা ধারণা নিতে পারবেন। এবং তার, অর্থাৎ আপনার হবু স্ত্রীর আল্লাহর প্রতি চিন্তার গভীরতা কতটুকু সেই সম্পর্কেও সুস্পষ্ট ধারণা নিতে পারবেন।
তাছাড়া এই প্রশ্নের উত্তর সে আরো সহজ ভাবেও বলতে পারে। যেমন; আপনি প্রশ্ন করলেন, আর সে বললো আলহামদুলিল্লাহ “ভালো”। এতে করে আপনি থাকে দ্বীন সম্পর্কে সরাসরি প্রশ্ন করার সুযোগ পাবেন।
কেননা সে আপনাকে অনুমতি দিচ্ছে সে এই বিষয়ে অবগত, আপনি থাকে প্রশ্ন করতে পারেন। এখানে আপনার মতো কিছু ইসলামিক যেমন; নামাজের নিয়ম, হিজাবের বিধান ইত্যাদি বিষয়ে।
এর পরবর্তীতে প্রশ্ন করে জেনে নিতে হবে মেয়ে নামাজ পড়ে কি’না? তার জন্য প্রথমত তাকে বলতে পারেন আপনি কি নামাজ পড়েন? এখানে ইতিবাচক উত্তর পেলে। পরে বলেতে পারেন আজকে কি “ফজর” পড়েছেন? সে যদি বলে হ্যাঁ, আপনি বলতে পারেন “মাশাল্লাহ“।
তারপর বলতে পারেন নামাজের পড়ে কি ঘুমিয়ে পড়েন না বাইরে বের হন? এতে সে যাই বলেনা কেন আপনি বলতে পারেন, ফজরের সময় বাইরে কিছুটা সময় কাটানো ভালো, যা স্বাস্থ্যের জন্য উপকার আর আরো কিছু আপনার মতো করে তাকে বলতে থাকুন এবং তারপর বলুন আপনাদের এখানে ফজরের ওয়াক্ত কখন শুরু হয় তা কি আপনি জানেন? এতে কিছুটা বুঝতে পারবেন মেয়েটি সত্যিকার অর্থে নামাজ পড়ে কি’না। না ভানিয়ে কথা বলছে।
আর যদি উত্তরে বলে দেয় “কখন” তারপর সাথে সাথে বলতে পারেন “মাগরিব” বা এশা কখন শেষ হয় তা কি বলতে পারবেন। এক্ষেত্রে আপনি সহজে বুঝে নিতে পারবেন মেয়েটি নামাজ পড়ে কি’না। না আপনার সাথে ভানিয়ে মিথ্যা কথা বলছে।
এভাবে ধারাবাহিক ভাবে প্রশ্ন চালিয়ে যান।কেননা সে যদি মিথ্যা বলে থাকে সেইক্ষেত্রে হয়তো একটি কিংবা দুটি বা তিন থেকে চারটি প্রশ্নের উত্তর সঠিক দিতে পারবেন তবে অবশ্যই সেই উত্তরে আপনি ইকটু ভালো করে পর্যালোচনা করলে বুঝে যেতে পারবেন সে’কি মিথ্যা দিয়ে সত্যকে আড়ালে রাখছে।
এর পর আপনি তাকে তাহাজ্জুদ এর কথা জিজ্ঞেস করতে পারেন। আর এভাবে মেয়ে দেখতে গিয়ে প্রশ্ন করার মাধ্যমে আপনি একজন গুণবতী দ্বীন-দার জীবন সঙ্গী বের করে নিতে পারবেন।
আশা করি আপনি এই আর্টিকেলে থেকে মেয়ে দেখতে গিয়ে প্রশ্ন কি করবেন তা সম্পর্কে ধারণা নিতে পেরেছেন।