আসসালামু আলাইকুম! আজকের এই নিবন্ধন থেকে জেনে নিতে পারবেন বিভিন্ন ফকিহগন দের মতে নবীর সুন্নাহ ও হাদিসের তথ্য অনুসারে আল্লাহর কোন নাম পড়লে মনের আশা পুরন হয় তার পূর্ণাঙ্গ আলোচনা। এবং একই সাথে জেনে নিতে পারবে এইসব নাম পড়ে কিভাবে আমল করতে হবে ও তা পড়ার উত্তম সময় কখন।
দুনিয়ার পেক্ষাপটে প্রতিটা মানুষেরই কোনো না কোনো ইচ্ছে থেকে থাকে। যা পূরণের তাগিদে অনেকেই অনেক রকম চেষ্টা করে থাকে। তার মধ্যে সবচেয়ে সহজ ও উত্তম হলো আল্লাহর বিভিন্ন নাম পড়ে আল্লাহ কাছে দোয়া করা এবং সেই কাজ হাসিল করে নেয়ার জন্য চেষ্টা করা।
এই ক্ষেত্রে অনেকেরই জেনে নেয়ার প্রয়োজন পড়ে আল্লাহর কোন নাম পড়লে মনের আশা পুরন হয়? অর্থাৎ যেসব নাম পড়ার মাধ্যমে আল্লাহকে ডেকে আপনার নেক ইচ্ছেগুলো আল্লাহ কাছে দোয়া করে নেয়ার মাধ্যমে পূরণ করবে। এই ক্ষেত্রে বিভিন্ন ফকিহগনের মতে আপনার সকল ইচ্ছের জন্য নির্দিষ্ট কোনো নাম না পড়ে আপনার ইচ্ছের পেক্ষাপটে সেই অনুযায়ী নাম পরে আল্লাহ কাছে প্রার্থনা করা উত্তম।
যেমন; রিজিক বৃদ্ধির ক্ষেত্রে আপনি আল্লাহর গুণবাচক নাম সমূহের মধ্য থেকে আর-রাযযাক অর্থাৎ রিজিকদাতা যার মাধ্যমে আপনি আল্লার কাছে দারিদ্রতা থেকে আশ্রয় চেতে পারেন।
জেনে নিনি: কুল্লু নাফসি জাইকাতুল মাউত কোন সূরা
এবং তাছাড়া আল্লাহ গুণবাচক নাম গুলোর মধ্যে সবচেয়ে উতকৃষ্ট আরেকটি নাম হচ্ছে আল-গাফ্ফার যার অর্থ অধিক ক্ষমাশীল এই নাম পাঠ করে আপনি আল্লাহর কাছে আপনার গুনাহের জন্য ক্ষমা চেতে পারেন।
তবে সহি হাদিস ও ফকিহগনের মতে সবচেয়ে উতকৃষ্ট মানের দোয়া হচ্ছে, আল্লাহর কাছে “ইসমে আ‘যম” দ্বারা দোয়া করা। ইসমে আ’যম হচ্ছে আল্লাহর এমন মহান নাম, যা দ্বারা দোয়া করলে আল্লাহ তা কবুল করেন। যেমন ;
দোয়া
اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ بِأَنِّي أَشْهَدُ أَنَّكَ أَنْتَ اللَّهُ، لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ، الأَحَدُ الصَّمَدُ، الَّذِي لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ، وَلَمْ يَكُن لَّهُ كُفُوًا أَحَدٌ
বাংলা উচ্চারণ; আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা বিআন্নি আশহাদু আন্নাকা আন্তাল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লা আনতা, আল-আহাদুস সামাদ, আল্লাযী লাম ইয়ালিদ ওয়া লাম ইউলাদ, ওয়া লাম ইয়াকুল্লাহু কুফুওয়ান আহাদ।
বাংলা অর্থ; হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে প্রার্থনা করছি এই সাক্ষ্যের মাধ্যমে যে তুমিই আল্লাহ, তুমি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই,তুমি একক (আহাদ), তুমি অমুখাপেক্ষী (সামাদ), তুমি কাউকে জন্ম দাওনি এবং তোমাকেও জন্ম দেওয়া হয়নি, এবং তোমার সমকক্ষ কেউ নেই।
এই দোয়ায়ে উল্লেখিত আল্লাহর গুণবাচক নাম সমূহকে ফকিহগন ইসমে আ’যম বলে আখ্য দিয়ে থাকে এবং সহিহ হাদিস দ্বারাও তা প্রমাণিত।
এক ব্যক্তি এই দোয়া করছিলেন। তখন রাসূল ﷺ শুনে বললেন:“সে আল্লাহর কাছে তাঁর মহান নাম (ইসমে আ‘যম) দ্বারা দোয়া করেছে; যখন এই নামে দোয়া করা হয়, তা কবুল করা হয়।” (সুনান আত-তিরমিজি, হাদিস: 3475-সহিহ)
তাছাড়া আল- কুরআনের বিভিন্ন জায়গায় আল্লাহর নাম ধরে আল্লাহ কাছে প্রার্থনা করার কথা উল্লেখ রয়েছে যেমন;“আল্লাহর জন্যই রয়েছে সুন্দর নামসমূহ, সুতরাং তোমরা তাঁকে সেসব নাম ধরে ডাকো।” (আল-কুরআন, সূরা আল-আ’রাফ 7:180)
আল্লাহর কোন নাম পড়লে মনের আশা পুরন হয়
আল্লাহর কোন নাম পড়লে মনের আশা পুরন হয়। সেইক্ষেত্রে আপনার জন্য সবচেয়ে উত্তম হবে আল্লাহর গুণবাচক নাম সমূহের অর্থ বুঝে এবং আপনার প্রয়োজনের উপর বৃত্তি করে সেই অনুযায়ী আল্লাহর নাম ধরে ডাকা।
| প্রয়োজন | নাম | অর্থ |
| রিজিক বৃদ্ধি | আর-রাযযাক | রিজিক দাতা |
| দ্রারিদ্য দূর | আল- গনি | অমুখাপেক্ষী |
| ক্ষমা চাওয়া | আল-গাফ্ফার | অধিক ক্ষমাশীল |
| গুনাহ মাফ | আত- তাওয়াব | তওবা কবুলকারী |
| বিপদ থেকে মুক্তি | আল-মুনজি | উদ্ধারকারী |
| রোগ থেকে সুস্থতা | আল-শাফি | আরোগ্য দাতা |
| মানসিক শান্তি | আস-সালাম | শান্তি দাতা |
| দুশ্চিন্তা দূর | আল-লতিফ | সূক্ষ্ম অনুগ্রহকারী |
| ভালোবাসা পাওয়া | আল-ওয়াদুদ | পরম প্রেমময় |
| শক্তি /সাহস | আল-ক্বাওয়ী | সর্বশক্তিমান |
| জ্ঞান বৃদ্ধি | আল-আলীম | সর্বজ্ঞ |
| হেদায়েত | আল-হাদি | পথপ্রদর্শক |
| ন্যায় বিচার | আল-আদল | ন্যায়বিচারক |
| দোয়া কবুল | আস-সামি | সর্বশ্রোতা |
| সবকিছু দেখা | আল-বাসীর | সর্বদ্রষ্ট |
আল্লাহর কোন নাম পড়লে মনের আশা পুরন হয় তা আমল করার নিয়ম
আল্লাহর যেকোনো নাম পড়ার ক্ষেত্রে আপনাকে নির্দিষ্ট কোনো আমল করতে হবে না। অর্থাৎ আমাদের সমাজে প্রচলিত কিছু নিয়ম রয়েছে যে যেকোনো নাম বা তসবিহ ১০০ বার বা একটি নির্দিষ্ট সংখ্যা পর্যন্ত পড়া। যা সহিহ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত নয়। এটি সমাজের একটি ভ্রান্তি।
সেইক্ষেত্রে আপনি আপনার সময় বা ইচ্ছে অনুসারে নির্দিষ্ট সংখ্যায় পড়ে নেয়াই উতকৃষ্ট। এবং আল্লাহর গুণবাচক নাম পাঠ করে নেয়ার পর আপনি আল্লাহর কাছে বিনয়ী এর সাথে দোয়া করা।
জেনে নিনি: S দিয়ে মেয়েদের আধুনিক নাম ও অর্থ ২০০+
তবে কিছু সংখ্যক দোয়া বা ইস্তেগফার রয়েছে যা নির্দিষ্ট সংখ্যক পাঠ করার নির্দেশনা রয়েছে। তার মধ্য থেকে অন্যতম একটি দোয়া হলো সুবহানাল্লাহি ওয়া-বিহামদিহি যার অর্থ সকল গৌরব ও প্রশংসা আল্লাহর।
এই দোয়া সম্পর্কে রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন কেউ যদি দিনে “সুবহানাল্লাহি ওয়া-বিহামদিহি “এই অংশটুকু ১০০ বার পাঠ করে তাহলে তার সকল গুনাহ মাফ করা হবে যদিও তা সাগরে ফেনা পরিমাণ হয়[ Sahih Al Bukhari VoL S Book of Supplication Hadith 6405]
এছাড়াও এরকম আরো অসংখ্য দোয়া রয়েছে যা নির্দিষ্ট সংখ্যক পাঠ করার কথা উল্লেখ রয়েছে। তবে আল্লাহর কোন নাম পড়লে মনের আশা পুরন হয় সেইক্ষে কোথাও আল্লাহর গুণবাচক নাম নিদিষ্ট সংখ্যক পাঠ করার মাধ্যমে তা পূরণ হয়, তা সহি-হাদিস দ্বারা প্রমাণিত নয়।
দোয়া কেন কবুল হয় না
অনেকেই এমনটা মনে করে তার দোয়া কুবল হচ্ছে না। অথচো সে প্রতিনিয়ত দোয়া করে যাচ্ছে কিন্তু তার কোনো প্রতিক্রিয়া সে দেখতে পাচ্ছে না। তার কারণ কি হতে পারে অর্থাৎ দোয়া কেন কবুল হয় না।
ডাউনলোড করে নিন: SSC & HSC ইংলিশ পিডিএফ শীট
এই ক্ষেত্রে ফকিহগন কুরআন ও সহি-হাদিসের পেক্ষাপটে বিষয়টিকে অর্থাৎ দোয়া কবুল না হওয়ার পেছনের কিছু কারণ উল্লেখ করেন, যে কারণ বশতো দোয়া কবুল হয় না। যেমন ;
- প্রথমে তারা ব্যক্তির উপার্জনের দিকে লক্ষ্য করার কথা বলেন। অর্থাৎ দোয়া কবুল এর ক্ষেত্রে দেখতে হবে, যে ব্যক্তি দোয়া করছে তার উপার্জন হালাল কি’না। তাছাড়া অনেক সময় দেখা যায় উপার্জনের মাধ্য হালাল হলেও তার ব্যক্তিগত লেনদেনের সাথে রিভা অর্থাৎ সুদ জরিয়ে আছে। তাই এই বিষয় গুলো লক্ষ্য করতে হবে এবং উপার্জনের পথ যেন হালাল হয় সেদিকে মনোনিবেশ করতে হবে। এর জন্য আল্লাহর কোন নাম পড়লে মনের আশা পুরন হয় তা জেনে নেয়ার পাশাপাশি অবশ্যই আপনার উপার্জন কেমন তা খুটিয়ে দেখুন।
- পরবর্তী ক্ষেত্র হিসেবে বলেন, “একদিন সাহাবায়েদের উদ্দেশ্যে রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তুমাদের কোনো কথা বা কাজ দ্বারা অপর কোনো মুসলিম যেনো কষ্ট না পায়।” অর্থাৎ আপনার কথা বা কাজ দ্বারা কেউ জুলুমের শিকার হচ্ছে কিনা। যদি তা হয় তাহলে সেটা হতে পারে আপনার দোয়া কুবল না হওয়ার কারণ।
- দোয়া কবুল না হওয়ার আরেকটি বড়ো কারণ হচ্ছে যে ব্যক্তি দোয়া করছে সে হয়তো কাউকে ভালো কাজের নির্দেশ দেয় না এবং খারাপ কাজেও বাদা সৃষ্টি করে না, তার ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও। আর এই কাজটি করা মুসলিম দের জন্য ফরজ। তাই একজন ভালো মুসলিম হতে হলে অবশ্যই এই ফরজ কাজটি মেনে চলতে হবে।
- তাছাড়া রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন তুমরা যখন দোয়া করবে অর্থাৎ আল্লাহর কাছে কিছু চাইবে তখন এভাবে কিছু চাইবে না, যেভাবে তুমরা আদেশ করো। যেমন ;হে আল্লাহ তুমি চাইলে আমাকে ক্ষমা করে দেও,তুমি চাইলে আমাকে ধনী ভানিয়ে দেও। এভাবে দোয়া করতে রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন। এই কথা বলা আছে [Sahih Al Bukhari VOL 9 Book of Tawheed Hadith 7477]।
- তাছাড়া আমাদে সমাজে বেশ কিছু মানুষ দোয়া করে শব্দ করে এবং তাদের মধ্যে অনেকেই শব্দ করার পাশাপাশি দোয়া করে লোকোবলের মধ্যে অর্থাৎ প্রকাশে। এই ক্ষেত্রে আল্লাহ তায়ালা বলেন “তুমরা তুমাদের প্রতিপালকে ডাকো বিনয়ের সাথে এবং গোপনে” [ সূরা আল- আরাফ আয়াত ৫৫ অধ্যায় ৭]
- এছাড়াও দোয়া করার ক্ষেত্রে পবিত্র কুরআনে উল্লেখ করে , “তাঁকে অর্থাৎ আল্লাহ কে আহবান কর ভয় ও আশা সহকারে। নিশ্চয় আল্লাহর করুণা সৎকর্মশীলদের নিকটবর্তী “[ সূরা আল- আরাফ আয়াত ৫৬ অধ্যায় ৭]
কখন দোয়া কবুল হয়
দোয়া কবুলে ক্ষেত্রে দিনের বেশ কিছু সময় আছে যে সময় দোয়া করলে অর্থাৎ আল্লাহ কাছে কিছু চাইলে তা কবুল হওয়ার সম্ভাবনা সবথেকে বেশি থাকে।
এর মধ্যে থেকে উত্তম একটি সময় যে সময় সম্পর্কে রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন যখন তোমরা মুয়াজ্জিনের আযান শুনবে এবং এর পরে বলবে, “আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই, তিনি এক, তাঁর কোনো শরিক নেই। এবং আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি নবী মুহাম্মদ (সা.) তাঁর বান্দা ও রাসূল। আমি আল্লাহকে রব হিসেবে, মুহাম্মদ (সা.)-কে রাসূল হিসেবে এবং ইসলামকে দ্বীন হিসেবে সন্তুষ্টচিত্তে গ্রহণ করেছি। তখন তার পাপ ক্ষমা করা হবে।[Sahih Muslim Vol. 1 Book of Salaah Hadith 749]
তাছাড়া এসময় আল্লাহর কাছে অন্যান্য দোয়া করলে আল্লাহ তা কুবল করেন। এছাড়া রাতের শেষ প্রহরে যখন কোনো বান্দা আল্লাহর কাছে কিছু চায় তখন আল্লাহ তার বান্দাকে ফিরিয়ে দিতে লজ্জা বুধ করেন।
আল্লাহর কোন নাম পড়লে মনের আশা পুরন হয় তা জেনে নেয়ার পাশাপাশি আপনি যদি জেনে নিন কখন এই নাম পড়ে দোয়া করলে তার ফজিলত পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। সেইক্ষেত্রে আপনার দোয়া কবুলের আশংকা বেশি থাকবে।
১০টি ছোট কিন্তু শক্তিশালী দোয়া | দুশ্চিন্তা, ভয় ও কষ্ট দূর করার দোয়া
আল্লাহর কোন নাম পড়লে মনের আশা পুরন হয় অর্থাৎ আল্লাহর গুণবাচক নাম সমূহ পড়ার পাশাপাশি এই দোয়া নিয়মিত আমল করতে পারেন।
দোয়া
- হাসবুনাল্লাহু ওয়া নি‘মাল ওয়াকিল
অর্থ: আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট, তিনিই উত্তম কর্মবিধায়ক।
- রাব্বানা আতিনা ফিদ্দুনইয়া হাসানাহ।
অর্থ: হে আমাদের রব! আমাদের দুনিয়াতে কল্যাণ দাও।
- আল্লাহুম্মাকফিনি বিহালালিকা আন হারামিকা।
অর্থ: হে আল্লাহ! তোমার হালাল দ্বারা আমাকে হারাম থেকে রক্ষা কর।
- রাব্বিগফির লি ওয়া তুব আলাইয়া।
অর্থ: হে আমার রব! আমাকে ক্ষমা কর এবং আমার তওবা কবুল কর।
- রাব্বির হামহুমা কামা রব্বাইয়ানি সাগিরা।
অর্থ: হে আমার রব! আমার পিতা-মাতার প্রতি দয়া কর, যেমন তারা আমাকে ছোটবেলায় লালন-পালন করেছেন।
- আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল জান্নাহ।
অর্থ: হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে জান্নাত চাই।
- আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযুবিকা মিনাল হাম্মি ওয়াল হাজান।
অর্থ:হে আল্লাহ! আমি দুশ্চিন্তা ও দুঃখ থেকে তোমার কাছে আশ্রয় চাই।
- রাব্বানা লা তুজিগ কুলুবানা বা’দা ইয হাদাইতানা।
অর্থ: হে আমাদের রব! তুমি আমাদেরকে হিদায়াত দেওয়ার পর আমাদের অন্তরকে বক্র করো না।
- ইয়া মুকাল্লিবাল কুলুব, সাব্বিত ক্বালবি ‘আলা দীনিক।
অর্থ: আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট, তিনিই উত্তম কর্মবিধায়ক।
- রাব্বি জিদনি ইলমা
অর্থ:হে আমার রব! আমার জ্ঞান বৃদ্ধি কর।
আল্লাহর কোন নাম পড়লে মনের আশা পুরন হয় এই ক্ষেত্রে কুরআন ও সহি হাদিসের ভারষ্যমতে যে তথ্যগুলো বেশি গ্রহণযোগ্য তা এখানে তুলে ধরা হয়েছে।
আশা করি এখান থেকে এই সম্পর্কে অবগত হতে পেরেছেন আল্লাহর কোন নাম পড়লে মনের আশা পুরন হয় বা কিভাবে দোয়া পড়া উত্তম।
