Skip to content
-
Subscribe to our newsletter & never miss our best posts. Subscribe Now!
  • https://www.facebook.com/
  • https://twitter.com/
  • https://t.me/
  • https://www.instagram.com/
  • https://youtube.com/
Revtimely Revtimely

Your Time, Our Priority

Revtimely Revtimely

Your Time, Our Priority

  • Home
  • About us
  • Contact us
  • Privacy and Policy

অনলাইন মার্কেটিং

  • Home
  • About us
  • Contact us
  • Privacy and Policy
Subscribe
Close

Search

Home/ইসলামিক/শায়খ মাহমুদ আল-হাসানাত এর বলা ৩০ সেকেন্ডর খুতবা
শায়খ মাহমুদ আল-হাসানাত এর বলা ৩০ সেকেন্ডর খুতবা

শায়খ মাহমুদ আল-হাসানাত এর বলা ৩০ সেকেন্ডর খুতবা

By Pabel Ahmed
June 9, 2026 3 Min Read

শায়খ মাহমুদ আল-হাসানাত এর বলা বিশ্বের সকল মুসলিম উম্মাহের উদ্দেশ্যে ইতিহাসের সবচেয়ে ছোট খুতবা তিনি কি বলেছিলো যা পুরো মুসলিম উম্মাহকে ভাবিয়ে তুলে।

তিনি আসন্ন খুতবা-য় ৩০ সেকেন্ড এর কম সময় নিয়ে উম্মার উদ্দেশ্যে বলেন;

“যদি ৩০ হাজার শহিদ, ৭০ হাজার আহত ও ২ লক্ষ্য গৃহহারা প্যালেস্টিনিয়ানের এই মুহূর্তের নির্যাতন ও হত্যাকাণ্ডেও মুসলিম উম্মাহকে জাগ্রত করতে না পারে, তাহলে আমার কথাগুলো আর কী করবে? আমি আর কী বলবো এবং কাকে বলবো? এখন আপনারা সারি সোজা করে নামাজ শুরু করুন।”

এই ছোট খুতবা দ্বারা তিনি মুসলিম উম্মাহকে কি ঈঙ্গিত দিয়েছেন অর্থাৎ যদি ৩০ হাজার শহিদ এই উম্মাহকে জাগ্রত করতে না পারে” এর মানে তিনি কি বুঝিয়েছেন? এটা শুধু তার শহিদের সংখ্যায় জানানু নয়? বরং তার পিছনে রয়েছে অন্য উদ্দেশ্য।

শায়খ মাহমুদ আল-হাসানাত এর বলা ৩০ সেকেন্ডর খুতবা

শায়খ মাহমুদ আল-হাসানাত এর বলা খুতবা-র প্রতিটি কথাগুলো মুসলিম উম্মাহকে ঘুমথেকে জাগ্রত করে পূর্বের ইতিহাস মনে করিয়ে দেয়। অর্থাৎ এইরকম পরিস্থিতিতে সাহাবিরা কি করতেন?

খুতবার প্রতিটি কথার উদেশ্য

খুতবা-র প্রথম দিকে শায়খ মাহমুদ আল-হাসানাত বলেন “৩০ হাজার শহিদ এই উম্মাহকে জাগ্রত করতে না পারে” এই কথাগুলোর মাধ্যমে তিনি শুধু শহীদের সংখ্যা নয়, বরং উম্মাহর সংবেদনশীলতা মরে গেছে। কেননা ইতিহাসে এমন জুলুম বহুবার হয়নি তবু উম্মাহ ঐক্যবদ্ধ নয়।

কথাগুলো বুঝিয়ে দেয় আমাদের ঈমান এতটাই নিস্তেজ হয়ে গেছে যে এত রক্তও আমাদের ঈমানকে নাড়া দিতে পারছে না?

পরবর্তী লাইনে তিনি বলেন “২০ লক্ষ গৃহহারা” এর মানে এখানে তিনি শুধু মৃত্যু বা পরিবারের ধ্বংস নয় বরং একটি জাতিকে নিশ্চিহ্ন করার চেষ্টাকে উল্লেখ করেছেন। যা শুধু ফিলিস্তিনের সমস্যা নয়, এটা উম্মাহর অস্তিত্বের প্রশ্ন।”

তার পরে তিনি বলে উঠেন “তবে আমার কথাগুলো আর কী করে ফেলবে?”এটা শায়খ মাহমুদ আল-হাসানাত এর হতাশা নয়, এটা সত্যের স্বীকারোক্তি। কেননা একজন খতিব জানেন তার কথার শক্তি সীমিত।

কারণ বাস্তবতা এত ভয়াবহ যে, শব্দ সেখানে অক্ষম। যার কারণে তিনি নিজেকে ছোট করছেন এবং উম্মাহকে প্রশ্ন করছেন।

এর পরবর্তী লাইনে তিনি বলেন “আমি আর কি বলবো এবং কাকে বলবো?” শায়খ মাহমুদ আল-হাসানাত এর এই কথাগুলো প্রত্যেকের মনে প্রশ্ন তৈরি করে ফিলিস্তিনের প্রতিটি ঘটনা, প্রতিটি মৃত্যু আমরা কি শুধু শুনে যাচ্ছি? নাকি দায়িত্ব নিচ্ছি? যা আল্লাহর সামনে মুসলিম ফিলিস্তিনি উম্মাহর নীরব অভিযোগ।

শেষে তিনি বলেন “এখন সারি সোজা করুন, নামাজ শুরু করুন” শায়খ মাহমুদ আল-হাসানাত এর এই কথাগুলোর উদ্দেশ্য উম্মাহর জন্য নামাজই যথেষ্ট নয় বরং বলা হয়েছে এখন আল্লাহর সামনে দাঁড়াও কারণ জবাব দিতে হবে।

এই খুতবা মুসলিম উম্মাহকে প্রতিনিয়ত মনে করিয়ে দিচ্ছে তাদের নিরবস্বীকৃতি তাদের জন্য কতটা অপমান জনক। আমরা প্রতিনিয়ত ফিলিস্তিনি মুসলিম হত্যার স্বাক্ষী হচ্ছি অথচো দিন শেষে আমরা দুনিয়াদারিতে ব্যস্ত।

তাই শায়খ মাহমুদ আল-হাসানাত খুতবা শেষ লাইন এর মাধ্যমে সকল উম্মাহকে মনে করিয়ে দেন তুমাদের জন্য নামাজই যথেষ্ট নয়, তুমাদের সকলকে এই হত্যার জবাব আল্লাহ কাছে দিতে হবে।

শায়খ মাহমুদ আল-হাসানাত মূলত খুতবা-টি দিয়ে ছিলেন ২০২৪ সালের রমজানের শেষ শুক্রবারে বা তার ঠিক কাছাকাছি সময়ে।

প্যালেস্টিনিদের ঘটনা নিয়ে কুরআনের ভবিষ্যদ্বাণী

ফিলিস্তিনের ক্রমাগত মুসলিম হত্যা এবং নিবরিতে পুরো মুসল উম্মাহর স্বীকারোক্তি যা সম্পর্কে আল্লাহ বলেন,

অতঃপর এ ঘটনার পরে তোমাদের অন্তর কঠিন হয়ে গেছে। তা পাথরের মত অথবা তদপেক্ষাও কঠিন। পাথরের মধ্যে এমন ও আছে; যা থেকে ঝরণা প্রবাহিত হয়, এমনও আছে, যা বিদীর্ণ হয়, অতঃপর তা থেকে পানি নির্গত হয় এবং এমনও আছে, যা আল্লাহর ভয়ে খসেপড়তে থাকে! আল্লাহ তোমাদের কাজকর্ম সম্পর্কে বে-খবর নন [সূরাঃ আল-বাকারা, আয়াত-৭৪]

তাছাড়া কুরআনের অন্য আয়াতে এই উম্মার উদ্দেশ্য আল্লাহ তায়ালা বলেন;

“তোমাদের কী হলো যে তোমরা আল্লাহর পথে এবং নির্যাতিত নারী, পুরুষ ও শিশুদের জন্য লড়াই করছ না?” [সূরা আন-নিসা আয়াত -৭৫]

কুরআনে বর্ণিত এই আয়াতে আল্লাহ সুস্পষ্ট ভাবে আমাদেরকে এই নির্যাতনের বিরুদ্ধতা এবং নির্যাতিত মুসলিম উম্মাহের পাশে দাঁড়ানোর কথা বলেন।

জেনে নিন; কুল্লু নাফসি জাইকাতুল মাউত কুরআনের কোন সূরা

অথচো আমরা সবাই সেই সম্পর্কে বেখেয়ালি, আমাদের সাথে ঘটে যাওয়া প্রতিটি ঘটানা বার বার মনে করিয়ে দেয় আল্লাহর প্রজ্ঞার কথা।

এবং আমরা সেই সম্পর্কিত বিষয়ে বেখেয়ালি, আল্লাহ রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের সর্তক করে যে ভবিষ্যৎ বানী করে গিয়েছেন তা সম্পর্কে।

তাই আমাদের আখিরাতের সফলকামের সাথে দুনিয়াবিন সফলতা বা ভবিষ্যতে ঘটতে পারে এমন বিপর্যয় থেকে নিজে এবং অন্য বিপদগামীদের রক্ষা বা সর্তক করার ক্ষেত্রে ইসলামিক ফিকহ সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করা আবশ্যক।

তাছাড়া আমরা এই সম্পর্কে অবগত যে কুরআনের প্রতিটি আয়াতে রয়েছে আমাদের জন্য শিক্ষায়। আর তারই মধ্যে সূরা আল বাকারা ও আন নিসার এই অংশ বিশিষ্ট্য ফিলিস্তিনের মুসলিম হত্যায় আমাদের এই নীরবতা কে আরো কঠোর ভাবে তা সরণ করিয়ে দেয়।

জেনে নিন: আজ আরবি মাসের কত তারিখ

Author

Pabel Ahmed

Follow Me
Other Articles
কাতার ভিসা চেক
Previous

কাতার ভিসা চেক করার নিয়ম| সিম্পল কয়েকটি ক্লিক

ঘুম থেকে উঠার দোয়া ও পাঠ করার নিয়ম
Next

ঘুম থেকে উঠার দোয়া ও পাঠ করার নিয়ম

No Comment! Be the first one.

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বশেষ আপডেট

  • অনলাইনে বয়স্ক ভাতা আবেদন করার সকল নিয়ম
  • ওমানের 100 রিয়াল বাংলাদেশের কত টাকা আজকের সর্বশেষ আপডেট
  • আল্লাহর কোন নাম পড়লে মনের আশা পুরন হয়
  • কোড দিয়ে জন্ম নিবন্ধন যাচাই করার নিয়ম
  • কুয়েত ১ টাকা বাংলাদেশের কত টাকা সর্বশেষ আপডেট

ব্লগ ক্যাটাগরি

  • অন্যান্য
  • ইসলামিক
  • টাকার রেট
  • ট্রাবেলিং ও ভিসা তত্ত্ব
  • ব্যাংক ও সরকারি সেবা
  • স্বাস্থ্য টিপস

সরকারি সেবা

  • জমির খাজনা চেক
  • বয়স্ক ভাতা আবেদন
  • পল্লী বিদ্যুৎ মিটার আবেদন
  • জন্ম নিবন্ধন যাচাই
Copyright 2026 — Revtimely. All rights reserved. Blogsy WordPress Theme