যখনই আপনি যে কোন একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট তৈরি করবেন, সেই ব্যাংকে একাউন্ট তৈরি করার পরে একাউন্ট যখন আপনি মেনটেইন করবেন তখন অ্যাকাউন্ট মেইন করার যে চার্জ রয়েছে সেটি ব্যাংকে প্রদান করতে হয়।
অর্থাৎ প্রতি বছরে ব্যাংক একাউন্ট ব্যাংক ফি বাবদ একটি ব্যাংকে আপনাকে টাকা পরিশোধ করতে হয়। এটিকে সহজ বাংলায় বলা হয় একাউন্ট রক্ষণাবেক্ষণ চার্জ।
এখন একই রকম ভাবে আপনি যদি ডাচ বাংলা ব্যাংকে একটি সেভিংস একাউন্ট তৈরি করেন তাহলে সেভিংস একাউন্ট তৈরি করার ক্ষেত্রে আপনি অ্যাকাউন্ট মেনটেনেন্স চার্জ প্রদান করবেন।
এর মধ্যে সম্পৃক্ত থাকতে পারে এসএমএস ব্যাংকিং, চার্জ অ্যাকাউন্ট রক্ষণাবেক্ষণ ফি, এটিএম কার্ডের চার্জ, ইন্টারনেট ব্যাংকিং ফি প্রমুখ। অর্থাৎ আপনি ব্যাংক থেকে যে সমস্ত সেবা উপভোগ করবেন সেই সমস্ত সেবার জন্য আপনাকে প্রতিবছরের নির্দিষ্ট পরিমাণে এমাউন্ট পেমেন্ট করতে হবে কিংবা অ্যাকাউন্ট থেকে কেটে নেয়া হবে।
ডাচ বাংলা ব্যাংক সেভিংস একাউন্ট চার্জ
ডাচ বাংলা ব্যাংক সেভিংস একাউন্ট মেনটেনেন্স চার্জ বাবদ, কিংবা একাউন্টে রক্ষণাবেক্ষণ ফি হিসেবে প্রতি বছর যত টাকা চার্জ করা হয়, সেই সম্পর্কিত তথ্য নিচে তুলে ধরা হলো।
- ১০,০০০/-টাকার বেশি কিন্তু ২৫,০০০/-টাকা মধ্যে গড় আমানত স্থিতির জন্য সর্বোচ্চ ১০০/-টাকা + ১৫% সরকারি ভ্যাট।
- ২৫,০০০/-টাকার বেশি কিন্তু ২ (দুই) লক্ষ মধ্যে গড় আমানত স্থিতির জন্য সর্বোচ্চ ২০০/-টাকা + ১৫% সরকারি ভ্যাট ।
- ২ (দুই) লক্ষ টাকার অধিক কিন্তু ১০ (দশ) লক্ষ মধ্যে গড় আমানত স্থিতির জন্য সর্বোচ্চ ২৫০/-টাকা + ১৫% সরকারি ভ্যাট।
- ১০ লক্ষ টাকার বেশি আমানত স্থিতির জন্য সর্বোচ্চ ৩০০/-টাকা + ১৫% সরকারি ভ্যাট।
এখানে একটি বিষয় বলে রাখা ভালো আর সেটি হল, যখন আপনার ব্যাংক একাউন্টের ব্যালেন্স ১০ হাজার টাকার নিচে থাকবে তখন আপনার একাউন্ট থেকে কোন রকমের মেন্টেনেন্স চার্জ প্রযোজ্য হবে না।
অর্থাৎ আপনি এই অ্যাকাউন্ট কোনরকমের চার্জ ছাড়াই ব্যবহার করতে পারবেন। কিন্তু যখন আপনি অ্যামাউন্ট এর পরিমাণ বৃদ্ধি করবেন অর্থাৎ আপনার ব্যাংক একাউন্টে যে লেনদেনের পরিমাণ রয়েছে সেটি বৃদ্ধি করবেন কিংবা অ্যাকাউন্টে জমা রাখা টাকার পরিমাণ বৃদ্ধি করবেন, তখন থেকে আপনার অ্যাকাউন্টে চার্জের থাবা চলে আসবে।
যদিও একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করা হয়, লেনদেন করার জন্য। সেক্ষেত্রে আপনি যত পরিমাণের অ্যামাউন্টই বৈধভাবে লেনদেন করেন না কেন তাতে কোন সমস্যা হবে না।